সর্বশেষ

কবিতা

আহসান হাবীবঃ কবিতার বাঁশিওয়ালা

কেবল আত্মরতি নয়, সমাজচেতনার যুগধর্মই আহসান হাবীবের কবিতার বৈশিষ্ট্য। তাঁর কবিতায় আছে নগরযন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ নৈঃসঙ্গ্য এবং জনবিচ্ছিন্নতায় প্রকাশ।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
নীরব ঠোঁটের উচ্চারণ

আমার ভিতর বাহিরে
ভয়ানকভাবে গ্রাস করেছে কবিতা,
এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে
এলোমেলো অনিয়ম।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়: বাংলা কবিতার এক বোহেমিয়ান কিংবদন্তি

বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশ শতকের শেষার্ধকে যদি ‘জীবনানন্দ-পরবর্তী পর্ব’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, তবে সেই পর্বের গগনে শক্তি চট্টোপাধ্যায় এক ধ্রুবতারা, যাঁর দীপ্তি কেবল নিজস্ব নয়, বরং তা আলোকপাত করেছে পরবর্তী একাধিক কাব্যপ্রজন্মের উপর।

কবিতায় নান্দনিকতা

কবিতা, মানব ইতিহাসের এক সুপ্রাচীন শিল্পরূপ, কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং অভিজ্ঞতার গভীরতম স্তর থেকে উৎসারিত এক সুনির্মিত আলঙ্কারিক প্রতিভাস। এই শিল্পরূপের মূল ভিত্তিভূমি হলো নান্দনিকতা—যা সৌন্দর্য, শিল্পিত রুচি এবং আনন্দ-সৃষ্টির তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে।

আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেকের কবিতায় স্বদেশ চিন্তা: এক বহুমাত্রিক দার্শনিক অন্বেষণ

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সেই বিরল পরিসরে, যেখানে কাব্যিক প্রজ্ঞা এবং দার্শনিক গভীরতা একীভূত হয়ে একটি জাতির সামষ্টিক অবচেতনকে স্পর্শ করে, সেখানে আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেকের কাব্যকৃতি এক প্রোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

কবিতায় ব্যক্তির নৈঃসঙ্গ্য ও সমাজ-চৈতন্যর আলোড়ন 

কবিতা শিল্পের এমন এক অনন্য ও নিগূঢ় মাধ্যম, যা একই স্পন্দনে ধ্বনিত করে ব্যক্তিমনের গহীন অন্তঃসলিলা ও সমাজ-নামক বৃহত্তর জীবনের জটিল বুনট। এটি একদিকে যেমন আত্মার নিভৃত আত্মকথন, অন্যদিকে তেমনই সমকালীন যুগের অমোঘ দর্পণ।